
একাধিক সাংবাদিক অভিযোগ করে বলেন নির্বাচন কমিশনের মাঠপর্যায়ের কিছু কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আচরণ সন্দেহপ্রবণ ও অযৌক্তিক। অনেক ক্ষেত্রে বৈধ ও অনুমোদিত পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া হচ্ছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
এ বিষয়ে জাতীয় দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,“নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া। এই সময়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ তদারকির নামে যদি সাংবাদিকদের হয়রানি করা হয়, তাহলে তা শুধু গণমাধ্যমের স্বাধীনতাই নয়, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে।”
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত সাংবাদিকদের সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা, প্রতিপক্ষ হিসেবে নয়। তারা দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়ার দাবি জানান।
গণমাধ্যমকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন কমিশন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সাংবাদিকদের নিরাপদ, স্বাধীন ও বাধাহীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন গণমাধ্যমকর্মীরা—এমন অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের তদারকির নামে সাংবাদিকদের ওপর অযাচিত নজরদারি, জিজ্ঞাসাবাদ এবং পরিচয়পত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন সাংবাদিকরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভোটকেন্দ্র, নির্বাচনী প্রচারণা এলাকা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মসূচি কাভার করতে গিয়ে সাংবাদিকদের বারবার থামিয়ে প্রশ্ন করা হচ্ছে—কোন গণমাধ্যমে কাজ করেন, কে পাঠিয়েছে, কী উদ্দেশ্যে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন ইত্যাদি। এতে সংবাদ সংগ্রহে বিঘ্ন ঘটছে এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে মানসিক চাপ বাড়ছে।
Leave a Reply