
১৩ নং নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় পরিবর্তন বা স্থানান্তরের সম্ভাব্য উদ্যোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়টি ইউনিয়নের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত হওয়ায় সাধারণ জনগণ সহজেই সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। তাই কার্যালয় স্থানান্তর করা হলে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পাবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের আশপাশে রয়েছে একটি হাই স্কুল, সরকারি প্রাইমারী স্কুল, হাসপাতাল, ঈদগাহ মাঠ, মাদ্রাসা, খেলার মাঠ এবং গুরুত্বপূর্ণ হাটবাজার। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নিজড়া হাই স্কুল, ও সরকারি প্রাইমারী স্কুলের ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় হাজার খানেক। নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদের পশ্চিম পাশে রয়েছে বিরাট বাজার,সেখানে ৫/৭ হাজার লোকের সমাগম হয় বলে জানাযায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউনিয়নের মাঝখানে অবস্থিত এই কার্যালয়টি পরিবর্তন করা হলে দূরবর্তী এলাকার জনগণকে অতিরিক্ত ভোগান্তির শিকার হতে হবে। বিশেষ করে বয়স্ক, নারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি সেবা গ্রহণ কঠিন হয়ে পড়বে।
একাধিক বাসিন্দা বলেন, “বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের অবস্থান জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো এবং ইউনিয়নের প্রায় সব এলাকা থেকে সহজে আসা যায়। তাই অযৌক্তিকভাবে কার্যালয় স্থানান্তর করা হলে আমরা তা মেনে নেব না।”
সচেতন মহল মনে করছে, ইউনিয়ন পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরের আগে জনগণের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও ব্যাহত হতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান অবস্থান বহাল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Leave a Reply